Friday, 23 October, 2026
Logo
বিজ্ঞাপন
যাবতীয় রড, সিমেন্ট, ইট, বালি ও কনা পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করা হয় ।। যোগাযোগ- মেসার্স হোসেন ব্রাদার্স/ জাকের ট্রেডার্স।। সোবান মঞ্জিল, বসুর হাট রোড, সিনেমা হলের পাশে, দাগনভুইয়া, ফেনী। প্রোপ্রাইটর জাকের হোসেন আলমগীর ০১৭১১-৯৬২৯২৫।। ০১৮৭১-৯৩০০০৮ মেসার্স কে আহাম্মদ এন্ড সন্স! পরিবেশক,বি এম, ডেল্টা ও ইউনি এল পি গ্যাস! যোগাযোগ- বসুরহাট রোড, সিনেমা হলের সামনে, দাগনভুইয়া, ফেনী- ০১৭১১-৩০৪৮৭৩, ০১৮৩৯-৩৯৭১৩০! দাগনভুইয়া ফিজিওথেরাপী সেন্টার, একটি আধুনিক বাত, ব্যথা, প্যারালাইসিস ও মুখ বাঁকা চিকিৎসা কেন্দ্র। ঠিকানা- সোবহান মঞ্জিল, বসুর হাট রোড। (সাবেক ঝর্না সিনেমা হলের পাশে)। দাগনভুইয়া, ফেনী। 01818-019684, 01721-910110 সর্বাধুনিক মেশিনে রোগ নির্নন ও বিশেষজ্ঞ ডক্টর চেম্বার।। ফেনী ল্যাব সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার।। এস এস কে রোড়, ফেনী।। 01711375108/ 01815507975

চাঁদাবাজের বিষয়ে জিরো টলারেন্সের নির্দেশ পরিবেশমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: / বার পড়া হয়েছে


ছবি- নয়াকাল

"চাঁদাবাজির সাথে জড়িত ব্যক্তি যেই হোক না কেন, সে যদি আমার নিজের ছেলেও হয়—আইনের হাত থেকে কোনো ছাড় পাবে না। আমি প্রশাসনকে স্পষ্ট নির্দেশ দিচ্ছি, অপরাধী ও চাঁদাবাজদের দমনে কোনো ধরনের তদবির বা নমনীয়তা দেখানো যাবে না।"

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে ফেনীর দাগনভূঞা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এম.পি এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। 

দাগনভূঞা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন লিটনের সভাপতিত্বে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু মাদক ও পরিবেশ দূষণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে বলেন, "চাঁদা, মদ, গাঁজা এবং পরিবেশ ধ্বংসকারী কর্মকাণ্ডের সাথে কোনো আপস নেই। দাগনভূঞাকে সম্পূর্ণ শান্ত ও নিরাপদ রাখতে প্রশাসনকে মুক্তহস্তে কাজ করতে হবে।"

এছাড়াও, তরুণ প্রজন্মের বিপথগামী হওয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী এক আত্মোপলব্ধিমূলক বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "আজকের বাচ্চারা বা তরুণরা যে নষ্ট হচ্ছে, তার জন্য আমরা এবং আমাদের সমাজও দায়ী। আমরা তাদের পড়াশোনার পাশাপাশি পর্যাপ্ত খেলার মাঠ দিতে পারছি না, সুস্থ বিনোদনের সুযোগ করে দিতে পারছি না। সবচেয়ে বড় কথা, পড়াশোনা শেষ করে তারা যখন কাজ পাচ্ছে না, তখনই বেকারত্বের অভিশাপ থেকে তারা অপরাধ জগতে পা বাড়াচ্ছে।" যুবসমাজকে রক্ষা করতে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও খেলাধুলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ওপর তিনি জোর দেন।

ব্য বসায়ী ও স্থানীয় জনসাধারণের কথা শুনতে মন্ত্রী নিজেই বারবার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি প্রথাগত দীর্ঘ বক্তৃতার চেয়ে উপস্থিত শ্রোতাদের কাছ থেকে সরাসরি তাদের সমস্যা ও অভিযোগের কথা শোনেন। দাগনভূঞা বাজারের ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও স্থানীয় সমস্যার কথা তুলে ধরলে মন্ত্রী তা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সভাপতি জসিম উদ্দিন লিটনের নেতৃত্বে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেন। 

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শহীদুল ইসলাম, দাগনভূঞা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফয়জুল আমীন নোমান, সাবেক মেয়র ও দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন, এছাড়াও স্থানীয় রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এ এস এম নুর নবী দুলাল, ইসমাইল হোসেন, জামশেদুর রহমান ফটিক, সাবেক কাউন্সিলর আবুল কাশেম এবং গিয়াস উদ্দিনসহ আরও অনেকে।

উপস্থিত বক্তারা দাগনভূঞা বাজারের নিরাপত্তা জোরদার ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে মন্ত্রীর এই সময়োপযোগী ও সাহসী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানান। সভা শেষে মন্ত্রী বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন।

Share

আরো খবর


সর্বাধিক পঠিত