প্রকাশিত: / বার পড়া হয়েছে
তারেক রহমান সভামঞ্চে আসার পর দলের নেতা–কর্মীরা ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম, ফেনীবাসীর পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা, ভোট দিব কিসে, ধানের শীষে, লাগারে লাগা, ধান লাগা’ প্রভৃতি স্লোগান দিতে থাকেন।
৬টা ১৫ মিনিটে তারেক রহমান বক্তব্য শুরু করেন। ৬টা ৩০ মিনিটে তাঁর বক্তব্য শেষ হয়। সবশেষ তারেখ রহমান ফেনীতে এসেছেন ২০০৬ সালে।
একটি দল নির্বাচন বানচাল করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ফেনী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে আজ সন্ধ্যায় বক্তব্যকালে তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কথা বলে এখন লাভ নেই। এখন আমাদের মাঠ গোছানোর সময়। ভোটের দিন আপনারা সবাই রাতেই কেন্দ্রে চলে যাবেন। সেখানেে জামায়াতের সহিত তাহাজ্জোত পড়বেন। ফলাফল না দেয়া পর্যন্ত কেন্দ্র পাহাড়া দিয়ে রাখবেন। ভোটোর দিন শেষে হিসাব বুঝে নিবেন।

ফেনী জেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলালের সঞ্চালনায় এসময় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ জেলা নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সভাশেষে ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার ধানের শীষ মনোনীত প্রাথীদের পরিচয় করে দেন তারেক রহমান।
তারেক জিয়া ফেনী পাইলট হাই স্কুল মাঠের সমাবেশস্থলে হাজির হয়ে প্রথমে বলেন, এটা কিন্তু আমার নানা বাড়ি। তাই আপনাদের প্রতি আমার আবদার আছে।
তিনি বলেন, আমরা রাজনীতি করি দেশের মানুষের জন্য। আমরা মনে করি, জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। ১৭ বছর পর আমি দেশে এসে কিছু পরিকল্পনার কথা বলেছি। বিশেষ করে খেটে-খাওয়া মানুষের জন্য ফ্যামেলি কার্ড, কৃষক ভাইদের জন্য কৃষক কার্ড ও স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে মেডিকেল কার্ড করতে চাই। ঠিক একইভাবে আমাদের পরিকল্পনা আছে এদেশের তরুণ ও যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার। চট্টগ্রামের মতো ফেনী অঞ্চলে ইপিজেড করতে চাই। আর এইসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষকে নির্বাচিত করতে হবে।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলো। ৫ আগস্টের পর দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়, যে পরিবর্তনের ফলে দেশের মানুষের কষ্ট ধীরে ধীরে কমে আসবে। বিগত সময়ে স্বৈরাচার সরকার দেশের জনগণের সম্পদ লুট করে বিদেশি পাচার করেছিলো।