Thursday, 15 January, 2026
Logo
বিজ্ঞাপন
যাবতীয় রড, সিমেন্ট, ইট, বালি ও কনা পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করা হয় ।। যোগাযোগ- মেসার্স হোসেন ব্রাদার্স/ জাকের ট্রেডার্স।। সোবান মঞ্জিল, বসুর হাট রোড, সিনেমা হলের পাশে, দাগনভুইয়া, ফেনী। প্রোপ্রাইটর জাকের হোসেন আলমগীর ০১৭১১-৯৬২৯২৫।। ০১৮৭১-৯৩০০০৮ মেসার্স কে আহাম্মদ এন্ড সন্স! পরিবেশক,বি এম, ডেল্টা ও ইউনি এল পি গ্যাস! যোগাযোগ- বসুরহাট রোড, সিনেমা হলের সামনে, দাগনভুইয়া, ফেনী- ০১৭১১-৩০৪৮৭৩, ০১৮৩৯-৩৯৭১৩০! দাগনভুইয়া ফিজিওথেরাপী সেন্টার, একটি আধুনিক বাত, ব্যথা, প্যারালাইসিস ও মুখ বাঁকা চিকিৎসা কেন্দ্র। ঠিকানা- সোবহান মঞ্জিল, বসুর হাট রোড। (সাবেক ঝর্না সিনেমা হলের পাশে)। দাগনভুইয়া, ফেনী। 01818-019684, 01721-910110 সর্বাধুনিক মেশিনে রোগ নির্নন ও বিশেষজ্ঞ ডক্টর চেম্বার।। ফেনী ল্যাব সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার।। এস এস কে রোড়, ফেনী।। 01711375108/ 01815507975

ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধে দাগনভূঞা এসি ল্যান্ড শহিদুল আলমের নিদ্রাহীন প্রচেষ্টা অব্যাহত

দাগনভূঞা সংবাদদাতা

প্রকাশিত: / বার পড়া হয়েছে


সহকারী কমিশনার (ভূমি) দাগনভূঞা উপজেলা

দাগনভূঞা উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে ফসলি জমির মাটি কাটা রোধ করে ফসল ও কৃষক বাঁচাতে নিদ্রাহীন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দাগনভূঞা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শহিদুল আলম। 

শীতের মৌসুম আসলেই ব্রিকস ফিল্ড গুলোর মাটির যোগান দিতে এক শ্রেনীর মাটি খেকো সিন্ডিকেট তৈরি হয়। যারা ফসলি জমির টপ সয়েল কেটে আবাদযোগ্য কৃষি জমির উর্বরতা নষ্ট করে খাদ্য ও পরিবেশ বিনষ্টে তৎফর রয়েছে।

মাটি খেকো সিন্ডিকেট ভেঙে ফসলি জমি রক্ষায় পৌষের কন কনে ঠান্ডায়ও থেমে নেই, দাগনভূঞা এসি ল্যান্ডের আন্তরিক তৎপরতা। প্রায় প্রতিদিন আনসার সদস্যদের সাথে নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত, ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে ফসলি জমির টপ সয়েল কাটা প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। 

মাটি কাটার মৌসুম আসার পর থেকে এই পর্যন্ত ১৫ টি অভিযান পরিচালনা করে ইতিমধ্যেই ০৫ জন কে (প্রত্যেককে ০১ মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ড), ৫০,০০০ টাকা জরিমানা, অসংখ্য মাটি বহনকারী ট্রাক ও ট্রাক্টর জব্দ করে মুচলেকা নিয়ে মালিকের জিম্মায় দেয়া, মাটি কাটার এস্কেভেটর অকেজো করা সহ জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। 

এছাড়াও মাটি দস্যুদের ইউনিয়ন ভিত্তিক তালিকা করতে, ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেছেন। 

কিন্তু এতেও মাটি ব্যাবসায়ীদের দৌরাত্ব না থামার কারন সম্পর্কে জানতে চাইলে দাগনভূঞা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শহিদুল আলম বলেন, আমাদের চেষ্টার কোন ত্রুটি নেই, কিন্তু এই মাটি কাটার চক্র সমূলে বিনাশ করতে হলে সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্র য়োজন। এ ক্ষেত্রে যারা মাটি বিক্রি করছে তাদেরও দায় আছে। মাটি, ফসল, পরিবেশের বিপর্যয় সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষকে ফসলি জমি রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। 

তিনি আরো বলেন, আমাদের অভিযান  অব্যাহত থাকবে, এখন থেকে আমরা কোন জরিমানা করবো না। যারা এই অপকর্মের সাথে জড়িত থাকবে তাদের সোজা জেলে প্রেরন করা হবে। যারা ফসলি জমির টপ সয়েল বিক্রির সাথে জড়িত তাদের লিষ্ট তৈরি করতে ইউনিয়ন গুলোকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে বলেও জানান।

Share

আরো খবর


সর্বাধিক পঠিত